শান্তিভান্ডার
| সৌজন্যেঃ আশেকানে ছাত্র পরিষদ,চুয়েট শাখা |
ব্রক্ষাণ্ড জুড়িয়ে তুমি,তুমি পূর্ণ সনাতন
ভান্ডারি রহিম রহমান
আমার গাউসুল আযম কেব্লা কাবা কি খেলা খেলে
ভান্ডারে মোহন বাশি কে বাজায় ঐই শুনা যায়
দমে দমে জপরে মন গাউছে মাইজভান্ডার
আমার প্রাণ বন্ধুয়ার রংমহলা দেখবি যদি আয়
এই যে লাহুত সাগরে দেখ ছুটেছে জোয়ার
ওরে অবোধ মন ভজ মাওলার যুগল চরণ
অতি দুর্গম তরীকত ভাই সাবধানে চলিও
হালকা জরপ নিন্দা করে যে জনে,সে না জান
পাকে গাউসে ভান্ডারী সুলতানে মাওলানা
বন্ধু কি টোনা জানে একটুখানি দৃষ্টি করে পরাণ ধরে টানে
পাগল বানাইলা মোরে গাউসুল আযম মাইজভান্ডারি
বিরহ যাতনা প্রানে আর সহেনা কোন বনে লুকালে
তোরা দিন থাকিতে চিনিয়া লুওরে গাউছে ধনে
একটু পাগলের বাণী শুনরে বন্ধুগণ
জাহের বাতেনে আমার মওলানা
বহুত্বের ভাব বহুতর এক বুঝিয়ে একের বসত কর
তার ঘরে থাকা বিষম দায় প্রেমের বাতাস লাগলোরে যার গায়
এই অকুলে আকুল না হলে কি কূল পায়
বাবা কাঙ্গাল দাঁড়াল দ্বারে ভিক্ষা দিয়ে বিদায় কর
মাইজভান্ডারে নুরের বাশি বাজে ঘনে ঘন
মানুষ হবি কেমন করে
সোনার আদম হেলা করে বেলা গেল বইয়া
গাউসে ধনরে,কি সাধনে পাব তোমারে
গাউছেল আযম বাবা নুরে আলম তুমি ইছমে আযম
বন্ধুগণ আশেকিদের ছেমা পরম ধন
পীরে কদমে সহিদা করা হারাম নয়
ও ভাই ফরাজি বাজনা গানের মর্ম্ম বুঝনা
ভব সমুদ্রে ঘুরে আমার দেহ ষ্টীমার
ভাবিস কেন মন কুভাবনা দিন গেল দিন আর হবেনা
দেখলেম এক পাগলের খেলা
তোরা দেখবি যদি ত্বরায় আয়
দয়াল গুরুর অপার দয়া আমি দয়ার পাত্র নই
মাইজভান্ডারির পরশমনি পরশ করলে আয়
মন রসিক নাইয়া শীঘ্র চল ভব সাগর বাইয়া
বসন্ত সমীরে,মোহন সুরে হ্দয় মন্দিরে,কে বাজায় বাশি
কর বা না কর সাধন গুরু নিষ্ঠা রেখ মনে
তুমি বিপদ ভঞ্জন হৃদয় রঞ্জন নিত্য নিরঞ্জন ভান্ডারি
সৌজন্যেঃ আশেকানে ছাত্র পরিষদ,চুয়েট শাখা
0 Comments